পোস্টগুলি

জানুয়ারি ৫, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ক্ষমা করে দিয়ো মোরে

ছবি
ক্ষমা করে দিয়ো মোরে জাফর পাঠান জনপদ কলুষিত আজ রক্ষক রাষ্ট্রযন্ত্র দ্বারা আজ সমাজ কলুষিত-ভক্ষক সমাজপতি দ্বারা, মানুষ হয়েছে অনুভুতিশূন্য আজ-ভুগছে চরম হীনমন্যতায়, পড়ে থাকে অবলী নিরন্ন মানুষ দায়গ্রস্ততায়। দেখার যেন কেউ নেই-বুঝার কেউ নেই হারিয়ে ফেলেছে প্রতিবাদীরা ব্যক্তিত্বের খেই, সার্কাস প্রদর্শনীর যেন কুহকাচ্ছন্ন দর্শক-সাক্ষীগোপালের দল, প্যারালাইস আক্রান্ত হয়ে হারিয়ে ফেলেছে বল। ভোগে গা ভাসিয়ে আভিজাত্যের বড়াই! হই অঙ্গার, পুড়ে ছারখার, যেন তপ্ত রক্তিম কড়াই, মানুষ জানোয়ারদের নৃশংস হানায়, ভাসে জনপদ রক্ত বন্যায়, কহিবে কে? থাম্ এবার, এতো বড় অন্যায়। জন্মেছিস এ ধরায় ক্ষণজীবন নিয়ে রক্তমাখা টাকা কামাস শোষিতের রক্ত ঝরিয়ে, ভেবে দেখিসনা পঁচবি ধরার মাটিতে, জ্বলবি পাপের আগুনে ফেলে যাবি সব, কামিয়েছিস যা ভরা ফাগুনে। যেই টাকার নেশায় তুই হয়েছিস অমানুষ ভাবিসনি কখনও, এরাও অনুভূতিশীল মানুষ। যাকে তুই সোৎসাহে করেছিস হত্যা, সে ছিলো পরিবারের কর্তা, একজনকে নয়, তুই করেছিস পুরো পরিবারকে হত্যা। কালো টাকায় নিজকে করেছিস হৃষ্টপুষ্ট প্রতিটি রক্তাণু বহিব...

পরম বাবা

ছবি
পরম বাবা জাফর পাঠান শৈশবের প্রারম্ভে যখন আমি - বুঝতে শিখেছি স্মরণের পাতায় স্মৃতি জমা করতে সবে শুরু করেছি , বাবা সেই সময়ের কথা বলছি হতবাকে তোমায় ভালোবেসেছি । বাবা , আমি দেখেছি ! তুমি আমার জন্মদাতা পিতা , ধরার আশ্রয়দাতা ধরণীর সমস্ত বৃক্ষরাজি মিলে যেথা হয়েছে বৃথা , সেথায় সর্বেসর্বা তোমার পিতৃছায়া কেমনে ভুলবো তোমারি মায়া । বাবা , আমি দেখেছি ! পরিশ্রান্ত দেহ নিয়ে কর্মক্ষেত্র থেকে যখন ফিরতে শত ক্লান্তিতেও তুমি ক্লান্তিহীন - সেই ভাব ধরতে , দু ’ হাত বাড়িয়ে কোলে তুলে নিতে ভরিয়ে দিতে গাল- শত চুমুতে । বাবা , আমি দেখেছি ! তুমি যখন খেতে বসতে আমাদের সাথে পাশে আমাদের চাহিদা পুষাতে - দেখতে ঘাটতি কিসে , সেরাটি দিতে আমাদের পাতে কত ইনিয়ে বিনিয়ে খাওয়াতে । বাবা , আমি দেখেছি ! কষ্টার্জিত স্বল্প আয়ের ভিতর কেটেছে তোমার জীবন শত চড়াই - উতড়াই পেরিয়েও - জ্বেলে রেখেছো উনুন , বুঝতে দাওনি তোমার বিষণ্ণ মন আগলিয়ে রেখেছ বুকের ধন । বাবা , আমি দেখেছি ! মন রক্ষায় কত আবদারে...